আপনি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত কিনা কিভাবে বুঝবেন?

টাইপ ২ ডায়াবেটিস

আজকাল ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বহুগুনে বেড়ে গেছে। প্রত্যেক পরিবারেই একজন ব্যক্তি হলেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাচ্ছে। আজকাল শুধু বয়স্ক নয় ছোট্ট শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে এই রোগে। অতিরিক্ত ওজন যাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আজকাল সবাই অনিয়মিত জীবনযাপন করার কারণে ও অতিরিক্ত ফ্যাট আছে এমন খাবার খাওয়ার কারণে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দিন দিন বেড়েই করেছে।

প্রথম ধাপের ডায়াবেটিস টাইপ ২ তে আক্রান্ত হওয়ার আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক কিছু লক্ষণ আছে। এই জাতীয় ডায়াবেটিস প্রাথমিক অবস্থায় থাকার কারণে অনেকেই বুঝতে পারেন না। আবার অনেকেই এটিকে সামান্য সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। আবার অনেকেই অনেকদিন যাবত এই ধরনের ডায়াবেটিসে নিজের অজান্তেই ভুগছেন।

প্রায়ই দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণে হসপিটালে রক্ত অথবা প্রস্রাব পরীক্ষা করা হয়। আর সেই পরীক্ষায় বেশিরভাগ ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার খবর আমরা জানতে পাই। যদি সেটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস হয় তাহলে খুব শীঘ্রই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এক্ষেত্রে একটু অবহেলা আপনাকে ভবিষ্যতে বড় কোনো সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণগুলো কি?

  • আপনার শরীর অনেক ফ্যাটি বা দেহের ওজন যদি অনেক বেশি থাকে।
  • আপনার বাবা, মা ভাই-বোনের যদি ডায়াবেটিস থাকে এক্ষেত্রে আপনারও হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
  • তৈলাক্ত, অতিরিক্ত ফ্যাট আছে, মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি পছন্দ করেন তাদের ঝুঁকি অনেক বেশি।
  • এশিয়ার দেশগুলোর ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বেশি হলে এবং অন্য মহাদেশের ক্ষেত্রে ২৫ বছর বয়সীরা বা এর বেশি।

আসুন তাহলে জেনে নেই টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ৭টি লক্ষণ

  • দিনের পর দিন চোখের দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকা।
  • নিজের শরীরকে অনেক বেশি ক্লান্ত অনুভব করা।
  • যৌনাঙ্গের চারপাশে চর্মরোগ হয় এবং ইনফেকশন থাকা।
  • অনেক বেশি পানির পিপাসা অনুভব করা এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ওজন কোন প্রকার চেষ্টা ছাড়াই কমতে থাকা।
  • খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ক্ষিধে পায়, মানে খুব ঘন ঘন ক্ষিধে পাওয়া।
  • দেহের কোন ইনফেকশন বা কেটে যাওয়া ক্ষতস্থান সহজে সেড়ে না উঠা।
  • ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বা রাতের বেলায় প্রস্রাব বেশি হওয়া।

যদি এই লক্ষণগুলো আপনি বুঝতে পারেন খুব তাড়াতাড়ি ডায়াবেটিস পরীক্ষা করুন এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন. রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক আছে কিনা তা রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষার রিপোর্টে চিকিৎসক দেখবেন। ডায়াবেটিস সনাক্ত হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা আরম্ভ করা ও নিয়ম মেনে চলা উচিত। এতে রোগীর বড় কোনো জটিল সমস্যা তৈরি হবেনা এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমে যাবে।

রেফারেন্সঃ

bbc.com

jagonews24.com

bengali.boldsky.com

এই ওয়েবসাইটে আপনি পাবেন সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ধরনের জানা ও অজানা সকল তথ্য। যে তথ্যগুলো আপনাকে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় অনেক ধরনের সাহায্য করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Story

এই শীতে খুশকি এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন আজই

Next Story

প্রতিদিন ব্যায়াম করার সুবিধা কী কী তা এখনই জেনে নিন